শিরোনাম :
বাউফলে মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট বিতরণ ও হুমকির অভিযোগ কাকাতুয়া প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে পাটগ্রামে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ওসম্মাননা স্মারক প্রদান. কুমিল্লা বন্ধুত্বের টানে একসঙ্গে ন্যাড়া হলেন ১০ যুবক নরসিংদীতে ৯ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া গিয়েছিল চিপস কিনতে, দুইদিন পর মিলল শিশুর বস্তাবন্দি লাশ চট্টগ্রাম বন্দরে ১ লাখ ৩৮ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চার জাহাজ হজযাত্রীদের জন্য শুভেচ্ছা উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র রমজান আলী দুর্নীতির মামলায় কারাগারে জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে বেশি ত্যাগ আর কোনো দল করেনি এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি মানিকগঞ্জে নিখোঁজের ৫ ঘন্টা পর ভুট্টা খেতে মিলল শিশুর লাশ,গণধোলাইয়ে ২ জন নিহত
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

শাহবাগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর গ্রহন কর্মসূচি, ১লা জুন থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবী

শাহবাগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষর গ্রহন কর্মসূচি, ১লা জুন থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবী

নিজস্ব প্রতিনিধি:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে গণস্বাক্ষর গ্রহণ কর্মসূচি শুরু করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।  এ উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর চত্বরে আজ ৩০শে মে রবিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় এক গণ-সমাবেশ আয়োজন করা হয়। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ১লা জুন থেকে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবী জানান।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী গতকালকে বলছেন, অভিভাবকরা নাকি চায় না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হোক।  উনার কাছে নাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বার্তাই আসে।

শিক্ষার্থী বলেন, বিভিন্ন সময়ে এ বিষয় নিয়ে জরিপে শিক্ষামন্ত্রীর দেয়া তথ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত পাওয়া যায়। যেমন:- পিপিআরসি এবং বিজিআইডি পরিচালিত জরিপ জানায়, প্রাথমিকের ৯৭.৭% এবং মাধ্যমিকের ৯৬% অভিভাবক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে।  এছাড়া ‘এডুকেশন ওয়াচ’- পরিচালিত জরিপেও প্রায় একই তথ্য উঠে আসে, যেখানে ৭৬ শতাংশ অভিভাবক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে মতামত দেন।  শিক্ষার্থীরা বলেন, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে সেই সব সংখ্যাগুরু অভিভাবকের বার্তা কেন এসে পৌছায় না? কেন শুধু সংখ্যালঘু অভিভাববকদের বার্তাই পৌছায়, তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, সংক্রমণের হার ৫% নিচে নামলে নাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।  তাহলে বলতে হয় গত জানুয়ারীতেও তো সংক্রমণের হার ৫% এর নিচে নেমে যায়, তখন কেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হলো না ?

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, ফেব্রুয়ারীর শুরুতে দেশে সংক্রমণের হার ২% এরও নিচে তে নেমে আসে।  কিন্তু ফেব্রুয়ারীতে টিকা কার্যক্রম শুরু পর থেকেই সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বাড়তে থকে।  শিক্ষার্থীরা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিশেষজ্ঞ লুক মন্টাগনিয়ার বক্তব্য উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “টিকা দেয়ার সাথে করোনার বৃদ্ধির সম্পর্ক আছে” সম্প্রতি বিশ্বকে জানিয়েছেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিশেষজ্ঞ লুক মন্টাগনিয়ার ।  শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশে আবারও টিকা কার্যক্রম গতিশীল হচ্ছে।  এখন যদি ফের করোনার মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ বছরও খোলার মুখ দেখতে পাবে না।  তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সাথে টিকা দান বা সংক্রমণ হারের হ্রাস-বৃদ্ধির কোন শর্ত আরোপ করা কখনই ঠিক হবে না।  বরং বিনাশর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেছেন, “আন্দোলনের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে আমরা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলতে পারি না।” অথচ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাসায় বসে থাকলে বরং আরো স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে।  কারণ দীর্ঘদিন ঘরে আবদ্ধ থাকলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়, যা রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বৃদ্ধি করে, যা খুবই ভয়ঙ্কর একটি বিষয়।  এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাসায় আবদ্ধ থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।  জরিপে উঠে এসেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ৫২.৮৭ % শিক্ষার্থী মানসিক অসুস্থ হয়ে উঠেছে, ৪০.৯১ % এর মানসিক বৈকল্য দেখা দিয়েছে এবং  ১২.৮% শিক্ষার্থীর মাঝে আত্মহত্যা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।  শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে পুরো একটি প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে, যা করোনার ক্ষতি থেকে আরো বেশি ভয়ঙ্কর ও সুদূর প্রসারী।  কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী সেই ক্ষতির কথা আমলেই আনছেন না।

শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষার্থীদের বাড়িতে আটকে রেখে শতভাগ অনলাইন মুখী করে মারাত্মক ক্ষতির দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে।  অনেকে অনলাইনে গেমে বুদ হয়ে আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছে।  শিক্ষা মন্ত্রনালয় এখন পাবজি ও ফ্রি ফায়ার গেম বন্ধ করে তাদের দায় সারতে চায়।  কিন্তু ভিপিএন ডাউনলোড করে যে কেউ এ গেমগুলো খেলতে পারে, তখন শিক্ষা মন্ত্রনালয় কি করবে ? শিক্ষা মন্ত্রনালয় কি তার ভিপিএন পাহারা দিবে ? শিক্ষার্থীরা বলেন, গেম নিষিদ্ধ করার থেকে বেশি দরকার শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস থেকে বাস্তব ক্লাসে ফিরিয়ে নিয়ে আসা, তাহলে অনেকেই এসব  ভয়ঙ্কর গেমের নেশা থেকে বাচতে পারবে।

সমাবেশে বক্তব্য দেন, ‘অবিলম্বে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিন’ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান, মুহম্মদ শামসুল ইসলাম- পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, এম রাহাত- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সহ আরো অনেকে।

 

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com